রাজধানীর ঢাকার মগবাজারে অবস্থিত সিদ্ধেশ্বরী কলেজে ছাত্রদলের দফায় দফায় মারধরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আজ রবিবার (২৮ জুন) দুপুরে এ ঘটনার পর বিকেলে দোষীদের বিচার চেয়ে কলেজের সামনে বিক্ষোভ করেছেন ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা।

আহতরা হলেন- ছাত্রশিবিরের রমনা থানার সভাপতি এজিএম বাপ্পি, মেহেদি হাসান তানভীর, নেয়ামত হোসেন, আব্দুল জাব্বার ও হাবিবুর রহমান। তাদেরকে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মারধরের শিকার হয়েছেন মেজবাহ উদ্দিন, রিয়াদ, জিহাদ, মাহমুদুল্লাহ, তুষার ও আব্দুর রহমানসহ বেশ কয়েকজন।

ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রশিবিরের সদ্য সাবেক সভাপতি ও ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ এক ফেসবুক পোস্টে লিখেন, ‘সিদ্ধেশ্বরী কলেজের প্রিন্সিপালের রুমে প্রিন্সিপালের সামনেই ছাত্রদলের গুন্ডারা ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের উপর হামলে পড়ে। ২/১ জন শিক্ষক মারধোর থেকে ছাত্রদের সেইফ করতে গেলে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক খাইরুল ইসলাম স্যারকেও আঘাত করে দাঁত ভেঙ্গে দেয় ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা। এই সন্ত্রাসীদের হাত থেকে শিক্ষক-ছাত্র কেউ নিরাপদ নয়। ছাত্রলীগের মতো ছাত্রদলও ক্যাম্পাসগুলোকে অস্থিতিশীল করে শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ নষ্ট করছে।’

ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম বলেন, ছাত্রশিবিরের রমনা থানার সভাপতি এজিএম বাপ্পিসহ কয়েকজন আজ দুপুরে কলেজের মসজিদে জোহরের নামাজ পড়তে গেলে বহিরাগত বলে হামলা করে ছাত্রদল। এতে দফায় দফায় মারধর করা হয়। এসময় ‘তোরা তো শিবির করিস’ বলেও হামলা করেন তারা।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার খবর পেয়ে আমি কলেজে গেলে প্রবেশপথে আরেক দফায় হামলা করে। কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সোহেলও এ সময় মারধর করেন। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ চেক করলে সবকিছু পাওয়া যাবে। এ ঘটনায় ছাত্রশিবিরের ৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদেরকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

দুপুরে এ ঘটনার পর বিকেলে দোষীদের বিচার চেয়ে কলেজের সামনে বিক্ষোভ করেছেন ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। দোষীদের বিচার চেয়ে এ সময় তাদের নানা স্লোগান দিতে দেখা গেছে। পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ছাত্রশিবিরের নেতারা বক্তব্য রাখেন।